ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত কয়েক মাস ধরে চলতে থাকলে ইউরোপের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষক জ্যান রোজনো।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি দামের ধাক্কা ইউরোপের প্রায় সব অর্থনৈতিক খাতে প্রভাব ফেলবে। কারণ ইউরোপের অধিকাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডই জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল।
রোজনোর মতে, ইউরোপের প্রায় ৮০ শতাংশ জ্বালানি আসে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে—যার মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল ও কয়লা। এসব জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে সার উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন শিল্পখাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতির ওপরও পড়বে।
তিনি আরও বলেন, এর ফলে আগামী সপ্তাহ ও মাসগুলোতে পরিবার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি খাতের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।
রোজনোর মতে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার চেয়ে অর্থনৈতিক চাপই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের অবসানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, এই পরিস্থিতি ইউরোপ কতটা আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল, সেটিও স্পষ্ট করে তুলছে।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে