72°F শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

নিউ ইংল্যান্ড বিএনপির আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত

বস্টন বাংলা অনলাইন ডেস্ক, Boston Bangla

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ১৯
নিউ ইংল্যান্ড বিএনপির আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত

উৎসবমুখর পরিবেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ, নেতৃবৃন্দের ঐক্যের আহ্বান । নিউ ইংল্যান্ড বিএনপি (NEBNP)-এর উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা গতকাল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ বদরে আলম (সাইফুল)। পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা কাজী নুরুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ, ঐক্য এবং গণতান্ত্রিক চেতনা ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি সৈয়দ বদরে আলম বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ সন্তান হিসেবে এবং নির্বাসিতা দীর্ঘ ১৮ বছরে উন্নত বিশ্বের উন্নত জীবন মানের অভিজ্ঞতা নিয়ে সরকার পরিচালনা করবেন। সবাইকে তার নেতৃত্বে আস্থা রেখে সহযোগিতার আহবান জানান।

সিনিয়র সহ- সভাপতি সোহরাব এইচ খান নেতা কর্মীদের সক্রিয় হতে বলেন। দলীয় হাই কমান্ড শীঘ্রই নতুন কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়ে সবাইকে সক্রিয় হতে অবহিত করেছেন বলে স্মরণ করিয়ে দেন।

সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার মনসুর উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবস, ঈদ ও দলের বিজয়ের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— ফরহাদ ফারুক, সৈয়দ জারিফ আলম, বিএনপি নেতা ডি এম মোশাররফ হোসেন, শমসেরসর্দার, ব্রিস্টল কাউন্টি বিএনপির সভাপতি রাহিদুর রহমান, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম টিটু, সহ-সভাপতি আবুল বশর, উপদেষ্টা শাহাদাত সরোয়ারদি।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্রবাসী কমিউনিটিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের নাস্তা, চা ও কফির আয়োজন ছিল। পরবর্তীতে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় সমৃদ্ধ বুফে ডিনার, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। ছিলো নানান সাংস্কৃতিক আয়োজনও।

প্রবাসে বসেও জাতীয় দিবস ও ধর্মীয় উৎসবকে একসঙ্গে উদযাপনের মাধ্যমে কমিউনিটির মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে আয়োজকরা জানান।