64°F বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

হালকা শীতের দুপুরে পাতে আরাম ও পুষ্টি: ওড়িশার ঐতিহ্যবাহী ‘বাদাম দিয়া মুলা’

বস্টন বাংলা অনলাইন ডেস্ক, Boston Bangla

প্রকাশ: ০১ ফেব ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ১০
হালকা শীতের দুপুরে পাতে আরাম ও পুষ্টি: ওড়িশার ঐতিহ্যবাহী ‘বাদাম দিয়া মুলা’

হালকা শীতের দুপুরে পাতে আরাম ও পুষ্টি: ওড়িশার ঐতিহ্যবাহী ‘বাদাম দিয়া মুলা’
হালকা শীতের দুপুরে ভাতের সঙ্গে এমন একটি তরকারি যেমন শরীরকে আরাম দেয়, তেমনই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে। ওড়িশার জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ ‘বাদাম দিয়া মুলা’ ঠিক তেমনই এক স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু রান্না। বাংলায় একে বলা যায় বাদাম দিয়ে মুলো, তবে এই পদে মুলো আর বাদামের পাশাপাশি ব্যবহার হয় আরও নানা মরসুমি সবজি ও শাক।

ঋতু পরিবর্তনের সময়ে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণে এ সময় হালকা, পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবারের দিকে ঝোঁক বাড়ে। মুলো ও মুলোশাক তেমনই এক উপকারী সবজি, যা শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বাঙালি রান্নায় মুলো ও মুলোশাকের নানা পদ থাকলেও, ওড়িশার এই বিশেষ রেসিপি একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে বলেই মনে করছেন রন্ধনপ্রেমীরা।

এই পদে আলু, বেগুন, কুমড়ো, মুলো, মুলোশাকের সঙ্গে ভাজা চিনাবাদাম, রসুন ও লঙ্কার মিশ্রণ এক অনন্য স্বাদ তৈরি করে। সর্ষের তেলের ফোড়ন ও সর্ষে দানার ঘ্রাণ পুরো রান্নাটিকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।

যেভাবে তৈরি করবেন ‘বাদাম দিয়া মুলা’:
প্রথমে আলু, বেগুন, মুলো, কুমড়ো ও টম্যাটো সমান মাপের টুকরো করে কেটে নিতে হবে। সামান্য জলে সবজি ও কুচনো মুলোশাক সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে রাখা হয়। অন্যদিকে, ভাজা চিনাবাদাম, রসুন, শুকনো ও কাঁচা লঙ্কা একসঙ্গে বেটে মসলা তৈরি করা হয়।

এরপর কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে সর্ষে ও শুকনো লঙ্কার ফোড়ন দিয়ে সেই বাটা মসলা কষানো হয়। টম্যাটো ও নুন দিয়ে মশলা নরম হলে সেদ্ধ করা সবজি মিশিয়ে অল্প জল দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করলেই তৈরি হয়ে যায় এই সুস্বাদু তরকারি।

স্বাদ ও পুষ্টির ভারসাম্যে ভরা ‘বাদাম দিয়া মুলা’ হালকা শীতের দিনে ভাতের সঙ্গে হতে পারে এক আদর্শ ঘরোয়া পদ—যা পেট ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরকেও রাখবে সুস্থ।