70°F বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

বস্টন বাংলা অনলাইন ডেস্ক, Boston Bangla

প্রকাশ: ২৫ ফেব ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ১৪
ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার শঙ্কার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বহুসংখ্যক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে অবতরণ করেছে। ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে অনেকটা গোপনীয়ভাবে এসব যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, পঞ্চম প্রজন্মের এসব যুদ্ধবিমান দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়নের সময় ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখলেও তাদের সঙ্গে থাকা জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমানগুলো ট্রান্সপন্ডার চালু রেখেছিল। ওপেন-সোর্স বিশ্লেষক সংস্থা মিলিটারি এয়ার ট্র্যাকিং অ্যালায়েন্স ফ্লাইট ট্র্যাকিং বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে যুক্তরাজ্যের লেকেনহিথ এয়ারবেস থেকে যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়ন করে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছায়।

এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় তৃতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়ায় সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, অন্যথায় ইরানের জন্য পরিস্থিতি “দুর্ভাগ্যজনক” হবে। তিনি শর্ত মেনে চুক্তিতে আসতে ১০-১৫ দিনের আলটিমেটামও দেন। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারির এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই একটি চুক্তিতে আসতে হবে, নতুবা “খারাপ কিছু ঘটবে”।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা ও সামরিক প্রস্তুতি—দুই দিকেই সমান্তরাল অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলছে।