দুর্নীতি ও রায় জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক জামিন পেয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত পূর্বে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে খায়রুল হকের আইনজীবীরা জানান, বর্তমানে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।
এর আগে রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন দায়ের করা মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলায় তার জামিন প্রশ্নে গত বছরের ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়, কেন তাকে এসব মামলায় জামিন দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পাঁচটি মামলার মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি মামলা ছাড়া বাকি চারটির জামিন আবেদন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য ছিল।
উল্লেখ্য, খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে